News update
  • জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জেনসন অ্যান্ড নিকলসনের ১৩.৭ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ     |     
  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ৩২৭     |     
  • পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর     |     
  • বন্যাকবলিত জেলায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল     |     
  • বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণিসম্পদের ব্যাপক ক্ষতি, মৃত ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি পশুপাখি     |     
Front Page 2026-07-03, 12:40pm

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বাজেটে

001-dc5c7986daef50c1e02ab09b442ee34f1783060848.jpg

ছবি: সংগৃহীত


ঢাকা, ৩ জুলাই, ২০২৬ (বঙ্গলোক ডেস্ক)

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং কর হ্রাসের ফলে দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে চাল, ডাল, তেল, আলু এবং পেঁয়াজসহ প্রায় ৬০টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের কর কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা বা কমানো হয়েছে। এর ফলে বাজেট-পরবর্তী সময়ে বাজারে সাধারণত যে অস্থিরতা বা মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়, এবার তা ঘটেনি।

৬৩টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর আগের ৫ শতাংশ ট্যাক্স কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়েছে।

পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য শিল্পের খাদ্য তৈরির ৩টি কাঁচামালের ওপর শূন্য-শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

ধান, চাল, আলু, পেঁয়াজ, চিনি ও ভোজ্য তেলের মতো প্রধান পণ্যের ওপর নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করা হয়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারের (যেমন- মিরপুর, হাতিরপুল ও পলাশী বাজার) সাম্প্রতিক চিত্র অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ভালো ফলন ও পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে বেগুন, পটল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা ও করলা প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কমে ৬০-৮০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় নেমে এসেছে। বাজারভেদে প্রতি কেজি আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

সুগন্ধি চালের দাম সামান্য বাড়লেও সাধারণ চাল এবং ডালের দাম পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP) নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য প্রতিটি দোকানে হালনাগাদ মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বাজেট পাসের পর শুল্ক ছাড়ের সুফল যেন সাধারণ ভোক্তারা সরাসরি ভোগ করতে পারেন।